একটু সচেতনতা রক্ষা করতে পারে আপনার ও আপনার শিশুর জীবন !!! একটি সমাজসেবা মূলক ব্লগ ।

Jul 12, 2014

লিউকেমিয়া হলে যে সব পরীক্ষা করা হয় .......




শ্বেতকণিকা আমাদের শরীরের আদর্শ সৈনিক। শরীরের কোনো রোগজীবাণু ঢোকার সাথে সাথে শ্বেতকণিকা প্রতিরোধ করে থাকে। কিন্তু এই শ্বেতকণিকা যখন নিজেই অসুস্থ হয়ে পড়ে তখনই হয় সব রকম সমস্যা। রোগের লক্ষণ দেখা যায় শ্বেতকণিকা সংখ্যার উপর ভিত্তি করেই
এই রোগের অপর আরেক ধরনের লিউকিমিয়ার নাম একিউট মাইলয়েড লিউকেমিয়া- যা সাধারণত বড়দের ক্ষেত্রে দেখা যায়। এটি সাধারণত চারগুণ বেশি একুইট লিম্পোসাইটিক লিউকেমিয়া যা অবশ্যই বড়দের ক্ষেত্রে দেখা যায়
একিউট লিউকেমিয়ার রোগীরা অতি অল্প সময়ে রক্তশূন্য হয়ে যায়। অপরিপক্ব শ্বেত কণিকার জন্য শরীরে দেখা দেয় বিভিন্ন ধরনের ইনফেকশন এবং প্রচণ্ড জ্বর, গায়ে হাড়ে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়। বস্তুত রক্তশূন্যতা, ইনফেকশন রক্তক্ষরণ রোগের মূল লক্ষণ
রোগীকে পরীক্ষা করলে রক্তের উপাদানের ঘাটতি লক্ষ্য করা যায়, যেমন- রক্তশূন্যতা, শরীরে লিভার, প্লীহা এবং লিম্প গ্ল্যান্ড বড় হয়ে যায় এবং শরীরের হাড়ে প্রচণ্ড ব্যথা অনুভূত হয়
লিউকেমিয়া নির্ণয়ের জন্য নিম্নলিখিত পরীক্ষাগুলি করা হয়:
) রক্ত পরীক্ষা- . রক্ত শূন্যতা অর্থাৎ হিমোগ্লোবিনের পরিমাণ কম। . শ্বেত কণিকার পরিমাণ বাড়তেও পারে আবার কমতেও পারে। . অনুচক্রিকার পরিমাণ কমে যায়। . ব্লাড ফিল্ম : এক্ষেত্রে পরিপক্ক শ্বেত কণিকার চেয়ে অপরিপক্ক শ্বেত কণিকার বা ব্লাস্ট কোষ এর পরিমাণ বেড়ে যায়। এটি একটি সুনির্দিষ্ট পরীক্ষা
) অস্থিমজ্জা পরীক্ষায় যা দেখা যায় তা নিম্নরূপ- . কোষের পরিমাণ অস্বাভাবিকভাবে বৃদ্ধি। . সাধারণ পরিপক্ক কোষের চেয়ে অপরিপক্ক ব্লাস্ট সেল এর আধিক্য। সাধারণত ২০% এর বেশি এই জাতীয় কোষ দেখা যায়। 

0 comments:

Post a Comment

Popular Posts

Blog Archive

Powered by Blogger.