পল্লী
কবি জসীম উদ্দীন ১লা জানুয়ারি ১৯০৩ সালে ফরিদপুর জেলার তাম্বুলখানা গ্রামে
জন্ম গ্রহণ করেন । তিনি একজন বিখ্যাত বাঙালি কবি । তিনি বাংলাদেশে 'পল্লী
কবি' হিসেবে পরিচিত । তাঁর লেখা কবর কবিতাটি বাংলা সাহিত্যে এক অবিস্মরণীয়
অবদান । পুরো নাম জসীমউদ্দীন মোল্লা হলেও তিনি জসীমউদ্দীন নামেই পরিচিত।
বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট।
বাবার নাম আনসার উদ্দিন মোল্লা। তিনি পেশায় একজন স্কুল শিক্ষক ছিলেন। মা আমিনা খাতুন ওরফে রাঙাছুট।
আমাদের পল্লী কবি জসীমউদ্দীন-
১। ১৯৫৮ সালে ”প্রেসিডেন্টস এওয়ার্ড ফর প্রাইড অফ পারফরমেন্স” পান ।
২। ১৯৭৬ একুশে পদক লাভ করেন ।
৩। ১৯৭৮ (মরণোত্তর) স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রাপ্ত হন ।
৪। ১৯৭৪ সনে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রাপ্ত হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন ।
৫। ১৯৬৯ রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট ডিগ্রি অর্জন করেন ।
১। ১৯৫৮ সালে ”প্রেসিডেন্টস এওয়ার্ড ফর প্রাইড অফ পারফরমেন্স” পান ।
২। ১৯৭৬ একুশে পদক লাভ করেন ।
৩। ১৯৭৮ (মরণোত্তর) স্বাধীনতা দিবস পুরস্কার প্রাপ্ত হন ।
৪। ১৯৭৪ সনে তিনি বাংলা একাডেমী পুরস্কার প্রাপ্ত হলেও তিনি তা প্রত্যাখ্যান করেন ।
৫। ১৯৬৯ রবীন্দ্র ভারতী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ডি. লিট ডিগ্রি অর্জন করেন ।
কবির নকশী
কাঁথার মাঠ ১৯২৯ খ্রিস্টাব্দে প্রকাশিত বাংলা সাহিত্যের একটি অনবদ্য
আখ্যানকাব্য। বাংলা কবিতার জগতে যখন ইউরোপীয় ধাঁচের আধুনিকতার আন্দোলন
চলছিল তখন প্রকাশিত এই কাব্যকাহিনী ঐতিহ্যগত ধারার শক্তিমত্তাকে
পুন:প্রতিপন্ন করে। এটি জসীমউদ্দীনের একটি অমর সৃষ্টি হিসাবে বিবেচিত।
কাব্যগ্রন্থটি ইংরেজিতে অনূদিত হয়ে বিশ্বপাঠকের দৃষ্টি আকর্ষণ করতে সক্ষম
হয়েছিল। নকশী কাঁথার মাঠ কাব্যোপন্যাসটি রুপাই ও সাজু নামক দুই গ্রামীণ
যুবক-যুবতীর অবিনশ্বর প্রেমের করুণ কাহিনী । এই দুজনই ছিলেন বাস্তব
চরিত্র।
কবি
জসীম উদ্দিন ১৯৩৮ সনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে বাংলা বিভাগের প্রভাষক হিসেবে
যোগ দেন। তিনি ১৩ মার্চ ১৯৭৬ সনে ঢাকায় মৃত্যুবরণ করেন। পরে তাকে তাঁর
নিজ গ্রাম গোবিন্দপুরে দাফন করা হয়।








0 comments:
Post a Comment