শিশুদের ক্ষেত্রে যেসব লক্ষণ দেখা যায়ঃ
শরীরের রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, ক্লান্তি ভাব, ক্ষুধামান্দ্য ও খাবারে অরুচি,নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্তক্ষরণ, কারো কারো ক্ষেত্রে জ্বর এর সাথে শরীর ব্যথা এবং বাত জ্বর বা রিমোটিক ফিভার হয়ে থাকে।
১. অ্যানিমিয়াঃ শুরুর দিক থেকেই অ্যানিমিয়া দেখা যায় এবং ধীরে ধীরে তা প্রকট হতে থাকে। অ্যানিমিয়া বা রক্ত শূন্যতার লক্ষণ হল রঙ ফ্যাকাশে হয়ে যাওয়া, দুর্বলতা, ঘনঘন শ্বাস নেওয়া এবং হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া।
২.জ্বরঃ অনিয়মিত ভাবে জ্বর আসা, কাঁপুনি দিয়ে জ্বর আসা। এই জ্বরের তাপমাত্রা কম থাকে এবং অ্যান্টিবায়োটিক ও কোন কাজ করে না। তবে সেকেন্ডারি ইনফেকশন (শ্বাসনালী,মুত্রনালী ইত্যাদির ইনফেকশন) হলে জ্বরের তাপমাত্রা অনেক বেশী হয়।
৩.রক্তপাতঃ রক্তপাতের প্রধান কারন হল শ্বেত কনিকা বেড়ে যাওয়ার কারণে অস্থিমজ্জার যে সেলটি রক্তের অনুচক্রিকা সৃষ্টি করে তা বাধার সম্মুখীন হয়। দ্বিতীয়ত, লিভারের অক্ষমতার কারণে ফিব্রিনোজেন, থ্রম্বিনোজেন এবং আসেলেরিন পর্যাপ্ত পরিমানে উৎপন্ন হয় না। কৈশিকনালীর পরিব্যপ্তিতা বেড়ে যায়। বেশিরভাগ রক্তপাতই চামড়ার ভেতরে শ্লৈষ্মিক ঝিল্লীতে হয় এর ফলে চামড়ায় ছোট ছোট লাল বা বেগুনী রঙের দাগ দেখা যায়, নাক ও মাড়ি দিয়ে রক্তপাত হয়,পাকস্থলী বা অন্ত্রে রক্তক্ষরণ হয়, প্রসাবের সাথে রক্ত যায়। অভ্যন্তরীণ রক্তক্ষরণ সবচেয়ে ঝুঁকিপূর্ণ এবং এর ফলে রোগীর মৃত্যুও হতে পারে।
কোন ধরনের লক্ষণ দেখা মাত্রই দেরি না করে দ্রুত বিশেষায়িত কোন হসপিটালে যোগাযোগ করুন।








0 comments:
Post a Comment