হরিতকী (বৈজ্ঞানিক নাম: Terminalia Chebula) একটি ভেষজ উদ্ভিদ। ভারত বর্ষের বিভিন্ন স্থানে এটি পাওয়া যায়। আয়ুর্বেদিক বিজ্ঞানে ত্রিফলা নামে পরিচিত তিনটি ফলের মধ্যে হরিতকি একটি। এর নানা
গুণ আছে। স্বাদ তিতা। এ গাছের ফল-বীজ-পাতা সবই মানুষের উপকারে আসে । মানুষের রোগ প্রতিরোধে
প্রতিষেধক হিসেবে এই উদ্ভিদ বিশেষ কার্যকর। ব্যাকটেরিয়া ও ফাঙ্গাসজনিত
রোগের ক্ষেত্রে বিশেষ উপকারী। এটি ট্যানিন, অ্যামাইনো এসিড, ফ্রুকটোজ ও বিটা
সাইটোস্টেবল সমৃদ্ধ। হরিতকি দেহের অন্ত্র পরিষ্কার করে এবং একই সঙ্গে দেহের
শক্তি বৃদ্ধি করে। এটা রক্তচাপ ও অন্ত্রের খিঁচুনি কমায়। হৃদপিণ্ড ও
অন্ত্রের অনিয়ম দূর করে। এটি পরজীবীনাশক, পরিবর্তনসাধক, অন্ত্রের খিঁচুনি
রোধক এবং স্নায়ুবিক শক্তিবর্ধক। হরতকি কোষ্ঠকাঠিন্য, স্নায়ুবিক দুর্বলতা,
অবসাদ এবং অধিক ওজনের চিকিৎসায় ব্যবহৃত হয়। চলুন জেনে নেয়া যাক হরতকির আরো
কিছু উপকারিতা-
ক। হরতকিতে অ্যানথ্রাইকুইনোন থাকার
কারণে রেচক বৈশিষ্ট্য সমৃদ্ধ। কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে হরিতকি। অ্যালার্জি
দূর করতে হরতকি বিশেষ উপকারী।
খ। হরতকি ফুটিয়ে সেই পানি খেলে অ্যালার্জি কমে যাবে।
গ। হরতকি গুঁড়া নারিকেল তেলের সঙ্গে ফুটিয়ে মাথায় লাগালে চুল ভালো থাকবে।
ঘ। হরতকির গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
ঙ। গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকি পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন।
চ। দাঁতে ব্যথা হলে হরতকি গুঁড়া লাগান, ব্যথা দূর হবে।
ছ। রাতে শোয়ার আগে অল্প বিট লবণের সঙ্গে ২ গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরিতকির গুঁড়া মিশিয়ে খান। পেট পরিষ্কার হবে।
ঘ। হরতকির গুঁড়া পানিতে মিশিয়ে খেলে ত্বকের উজ্জ্বলতা বাড়বে।
ঙ। গলা ব্যথা বা মুখ ফুলে গেলে হরিতকি পানিতে ফুটিয়ে সেই পানি দিয়ে গার্গল করলে আরাম পাবেন।
চ। দাঁতে ব্যথা হলে হরতকি গুঁড়া লাগান, ব্যথা দূর হবে।
ছ। রাতে শোয়ার আগে অল্প বিট লবণের সঙ্গে ২ গ্রাম লবঙ্গ বা দারুচিনির সঙ্গে হরিতকির গুঁড়া মিশিয়ে খান। পেট পরিষ্কার হবে।








0 comments:
Post a Comment