
ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়ায় অবদান রাখায় আমেরিকান ইহুদিদের দেয়া শান্তি পুরস্কার ফিরিয়ে দেয়ার আগ্রহের কথা জানিয়েছেন তুরস্কের প্রধানমন্ত্রী রেসেপ তায়িফ এরদোগান। মঙ্গলবার তুর্কি প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয় থেকে ইস্যু করা এক চিঠিতে এ তথ্য জানানো হয়। ইসরাইল-ফিলিস্তিন শান্তি প্রক্রিয়ায় অবদান রাখায় নিউইয়র্ক-ভিত্তিক আমেরিকান জিয়ুইশ কংগ্রেস ২০০৪ সালে এরদোগানকে শান্তি পুরস্কারে ভূষিত করে। কিন্তু ফিলিস্তিনের গাজায় ইসরাইলি বর্বরতার বিরুদ্ধে সোচ্চার কন্ঠে ছিলেন তুরস্কের জনপ্রিয় এই প্রধানমন্ত্রী। গাজা অবরোধ এবং তুর্কি জাহাজে হামলা চালিয়ে ইসরাইলি নৌ-কমান্ডোরা বেশ কয়েকজনকে হত্যা করলে ইসরাইলের সঙ্গে সম্পের্কের অবনতি ঘটে তুরস্কের। সর্বশেষ গত ৮ জুলাই ইসরাইল গাজায় আগ্রাসন চালালে ক্ষোভ প্রকাশ করেন এরদোগান। গাজার নারী ও শিশুদের ইসরাইলি নিধনযজ্ঞ হিটলারের হলোকাস্টের বর্বরতাকে হার মানিয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আর এতে ক্ষুব্ধ হয়ে আমেরিকান জিয়ুইশ কংগ্রেস এরদোগানকে তাদের দেয়া পুরস্কার ফিরিয়ে দিতে চিঠি লিখেন। এতে তুর্কি প্রধানমন্ত্রীকে ‘বিশ্বে ইসরাইল বিরোধী সবচেয়ে কট্টর নেতা’ বলে আখ্যায়িত করে ইহুদি সংগঠনটি। ওয়াশিংটনে নিযুক্ত তুর্কি রাষ্ট্রদূত সেরদার কিলিক আমেরিকান জিয়ুইশ কংগ্রেসের সভাপতি জ্যাক রোসেনকে লেখা চিঠিতে বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ২০০৪ সালের দেয়া ওই পুরস্কার ফিরিয়ে দিতে পারলে খুশি হবেন।’ প্রধানমন্ত্রী কার্যালয় থেকে প্রকাশিত চিঠির অনুলিপিতে বলা হয়, এই পুরস্কার পরিত্যাগ সন্ত্রাসবাদের বিরুদ্ধে লড়াই, ইসরাইল-ফিলিস্তিন সংকটের শান্তিপূর্ণ সমাধান এবং তুরস্কে থাকা ইহুদিদের নিরাপত্তা ও কল্যাণ নিশ্চিতে বাধা হয়ে দাঁড়াবে না। গত ৮ জুলাই থেকে ফিলিস্তিনের গাজায় অব্যাহত ইসরাইলি বর্বরতার শিকার হয়ে অন্তত ১২৫০ জন নিহত হয়েছেন। আহত হয়েছেন প্রায় সাড়ে ৬ হাজার। তাদের প্রায় সবাই নারী ও শিশুসহ নিরীহ ফিলিস্তিনি। ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়েছে গাজা।







0 comments:
Post a Comment