গত ০৪ আগষ্ট ২০১৪ তারিখে মাওয়া-কাওড়াকন্দি রুটে ডুবে যাওয়া লঞ্চ পিনাক-৬ এর মালিক আবু বক্কর কে আটক করেছে র্যাব-৭ ও ১১ একটি দল। আবু বক্কর ১৯৯১ সালে বরিশালের বাসিন্দা মো: মনিরুজ্জামান খোকনের কাছ থেকে লঞ্চটি ক্রয় করে সার্ভিসিং করে মাওয়া-কাওড়াকন্দি রুটে গত ঈদের আগে অধিক লাভের আশায় চালু করে। এখন কথা হচ্ছে শুধুমাত্র লঞ্চ মালিককে আটক করলেই কি সব সমস্যার সমাধান হয়ে যাবে? যারা অসাধু উপায়ে লঞ্চের ফিটনেস সার্টিফিকেট দিল তাদের কি কোন দোষ নেই? তাছাড়া লঞ্চের যাত্রীরা যারা ছিল তারা কি সবাই গন্ড মুর্খ ছিল নাকি? তারা জানত না যে লঞ্চের ধারণ ক্ষমতা ৭০-৮০ জন? এখন যাত্রীরা তো স্বেচ্ছায় লঞ্চের মোট যাত্রীসংখ্যা দেখেই উঠেছিল। তাহলে যাত্রীরাও কি এখানে দায়ী নয়?
আসলে সবথেকে বেশী দোষ হলো আমাদের মত সাধারণ পাবলিকের। যারা জেনে-শুনে বা দেখেও এই ধরনের লঞ্চের যাত্রী হয়। ৮০ জন বা সর্বোচ্চ ১০০ জনের উঠার পর বাকী যাত্রীগুলো যদি ঐ লঞ্চে না উঠতো, তবে হয়তো আজ এই করুন দৃশ্য আমাদের দেখতে হতো না।
এছাড়া লঞ্চের প্রতি টিকিটে উল্লেখ থাকতে হবে যে সেই টিকিটটি কত নম্বর যাত্রীর (সংখ্যা) । তাহলে জনগনের বুঝতে সুবিধা হবে যে, সে কি অতিরিক্ত যাত্রী হিসেবে লঞ্চে উঠছে কিনা।
জনগন সচেতন হলে এই ধরনের করুন দৃশ্য আমাদের আর দেখতে হবে না। আর শুধুমাত্র লঞ্চ মালিকের সাজা দিলে চলবে না। সরকারের উচিত হবে যারা এর ফিটনেস সার্টিফিকেট দিয়েছে এবং ঘাটে চলার অনুমতি দিয়েছে তাদেরকেউ সাজা দেয়া। তাহলে ভবিষ্যতে এই ধরনের নেক্যারজনক কাজ হতে সবাই দূরে থাকবে।
এ ব্যাপারে সাধারণ জনগনের মতামত আশা করছি। আপনাদের মতামত কমেন্টে জানান।







0 comments:
Post a Comment