ক্যানসার আক্রান্তরা যাতে সুলভমূল্যে ঔষধ ক্রয় করতে পারে সেজন্য ঔষধ উৎপাদকদের প্রচলিত মূল্যের থেকে কম মূল্যে ঔষধ বাজারজাত করার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশের শিশু চিকিৎসার পথিকৃৎ জাতীয় অধ্যাপক এম আর খান। রাজধানীর হোটেল র্যাডিসনের ব্লু ওয়াটার গার্ডেনে দুই দিনব্যাপী ‘বাংলাদেশ ক্যানসার কংগ্রেস-২০১৪’এর কর্মশালার উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে প্রায় পাঁচ শতাধিক দেশি ও বিদেশি চিকিৎসক অংশ নেন। সার্কভুক্ত দেশগুলোর ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের আঞ্চলিক ফোরাম ‘সার্ক ফেডারেশন অব অনকোলজিস্ট (এসএফও) বাংলাদেশ চ্যাপ্টার অনকোলজি ক্লাব এই কনফারেন্সের আয়োজন করে। এম আর খান বলেন, ‘ক্যান্সার আক্রান্তরা ঔষধপত্র ক্রয় ক্ষমতার মধ্যে রাখতে পারে এই জন্য ফার্মাসিউটিক্যালস গুলো অগ্রণী ভূমিকা পালন করতে পারে। সেই জন্য তাদেরকেই প্রথমে এগিয়ে আসতে হবে। বাংলাদেশে ক্যান্সার চিকিৎসার উন্নয়নের জন্য সরকারি-বেসরকারি উদ্যোগে আরো বেশি ক্যান্সার হাসপাতাল নির্মাণ করতে হবে।’
কিন্তু এর পরও কমেনি ক্যান্সার রোগের ঔষধের দাম। বরং সুযোগ পেলেই ফার্মাসিষ্টরা বাড়তি দাম ধরে বসেন। সরককারের কাছে আমার জোর দাবি প্রতিটি ঔষধের প্যাকেটের গায়ে সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য লেবেল লাগানো এবং বিদেশী ঔষধের ক্ষেত্রে ডিলার কর্তৃক বাংলাদেশী টাকায় সর্বোচ্চ খুচরা মূল্য’র লেবেল ঔষধের প্যাকেটের গায়ে লাগানো বাধ্যতামূলক করা। এছাড়া ঔষধের মূল্য অতিরিক্ত আদায়কারীর বিরুদ্ধে শাস্তি মূলক আইন প্রণয়ন ও বাস্তবায়ন করতে হবে। শিশুরা আগামী দিনের ভবিষ্যত, তাই লিউকেমিয়া রোগীর উন্নত চিকিত্সার খরচ এবং অন্যান্য ব্যবস্থা সরকারের বহন করা উচিত।
প্রিয় পাঠক আপনার মন্তব্য কি?
আমি কি ভুল বলেছি নাকি সঠিক পথে আছি কমেন্ট করে জানাবেন প্লিজ।








0 comments:
Post a Comment