আকিবের বর্তমান অবস্থা দেখতে গত ১০ সেপ্টেম্বর ২০১৪ তারিখে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ে গিয়েছিলাম।
আকিবের বাবার ভাষ্য মতে আমার এই ইন্টারনেটে প্রচার এর পর থেকে তিনি সামান্য কিছু মানুষের কাছ থেকে সাড়া পেয়েছেন এবং ১০,০০০/= টাকা আর্থিক সাহায্যও পেয়েছেন।
বর্তমানে আকিবের জন্য প্রতিদিন যে পরিমাণ অর্থ ব্যায় হচ্ছে তার কাছে এই অর্থ খুবই সামান্য। কিন্তু তবু তিনি মানুষের কাছে এই সামান্য সাহায্য পেয়েও তিনি খুব খুশী। ছেলের চিকিত্সার জন্য তিনি তার শেষ সম্বল ট্রলি টি বিক্রি করে দিয়েছেন। তার আয়ের শেষ সম্বলটুকু বিক্রি করে দিয়ে তিনি হতাশ হয়ে পড়েছেন। বাকী দিন গুলি কিভাবে যে পার করবেন সেই চিন্তায়। ছেলেটি হয়ত বাঁচবেনা কিন্তু এটা জেনেও কোন বাবা কি পারবেন তার ছেলেকে বিনা চিকিত্সায় মারা যেতে দিতে??
কিন্তু সেই চিকিত্সা চালিয়ে যাওয়ার জন্যও প্রয়োজন প্রচুর পরিমান অর্থ ও রক্ত।
অমিতের কথা মনে আছে আপনাদের? বিরল, দুরারোগ্য “পোলিও ওয়াইল্ড” রোগে আক্রান্ত হয়েছিলো সে। এই খবর পেয়ে জনকন্ঠ পত্রিকা তার বাসায় যায়। পরের দিন সকালে জনকন্ঠে হেডলাইন হয়েছিলো রিপোর্টারের সামনে বাবাকে বলা ছোট্ট অমিতের সেই বিখ্যাত উক্তি, “বাবা, ঢাকা শহরে এতো মানুষ, সবাই এক টাকা করে দিলেও তো আমি বেঁচে যাই।’’ ভাইরাসের চেয়েও দ্রুতগতিতে ছড়িয়ে গেছিলো সেই খবর। দেশ জুড়ে তোলপাড় শুরু হয়েছিলো। বহু অর্থসাহায্য এসেছিলো এবং এক পর্যায়ে মজুদ অর্থের পরিমাণ প্রয়োজনকেও ছাড়িয়ে গেছিলো। বাঙালি প্রমাণ করে ছেড়েছিলো, রোগের কাছে তারা হারতে জানে না, সম্ভাবনাময় প্রাণকে তারা হারিয়ে যেতে দেয় না। এরপর দীর্ঘদিন বেঁচে ছিলো অমিত।
আমরা কি পারিনা এই ছোট্ট শিশুটির চিকিত্সার খরচ চালানোর জন্য কিছু একটা করতে?? আমরা কি পারিনা আবার তার মুখে হাসি ফুটানোর চেষ্টা করতে?? হায়াত-মওত সবই মহান আল্লাহ পাক এর হাতে তিনি সবকিছুই পারেন। শুধু আমাদের চেষ্টা প্রয়োজন।
তাই আসুন আজ আরও একবার আমরা দেখিয়ে দিই যে বাংলার মানুষ মানুষের জন্য, তাঁরা সম্ভাবনাময় জীবনকে থেমে যেতে দেয় না।
যদি
কেউ আর্থিক সাহায্য করতে চান তাহলে বিকাশ/যোগাযোগ করুন আকীবের বাবা মো: এহসানুল হক +8801796433568 এই নম্বরে অথবা আর্থিক সাহায্য পাঠানোর ঠিকানা :
কৃষি ব্যাংক, সঞ্চয়ী হিসাব নং ৫৬৫৮, ভুরার চর শাখা, ময়মনসিংহ।
এছাড়া আকীবকে রক্ত দিয়ে সাহায্য করতে পারেন- রক্তের গ্রুপ বি+ (পজেটিভ) ।
বি: দ্র: রোগীর আর্থিক
সাহয্যের জন্য রোগীর অভিভাবকের সাথে মোবাইলে যোগাযোগ করে যাচাই করে সাহায্য
করবেন। এখানে আমার (এ্যাডমিন) এর ব্যক্তিগত স্বার্থ জড়িত নয়। সমাজসেবা এবং
লিউকেমিয়া রোগীদের আর্থিক সাহায্য ও রক্ত’র জন্য বিগ্গাপন দেওয়াই আমার মূল
লক্ষ্য।








0 comments:
Post a Comment