১) ব্লাড রুটিন এক্সামিনেশনঃ হাতের আঙুল বা কানের লতি থেকে রক্ত নিয়ে রক্তের শ্বেত ও লোহিত কণিকা পরীক্ষা করা হয়।
২) পেরিফেরাল ব্লাড স্মিয়ারঃ এর মাধ্যমে অস্থিমজ্জাতে কোন অস্বাভাবিক সেল বা অপূর্ণাঙ্গ শ্বেত কণিকা থাকলে সনাক্ত করা যায়।
৩) অস্থিমজ্জার বায়প্সিঃ এর মাধ্যমে বোনম্যারো থেকে কিছু সেল নিয়ে পরীক্ষা করা হয়।
২) পেরিফেরাল ব্লাড স্মিয়ারঃ এর মাধ্যমে অস্থিমজ্জাতে কোন অস্বাভাবিক সেল বা অপূর্ণাঙ্গ শ্বেত কণিকা থাকলে সনাক্ত করা যায়।
৩) অস্থিমজ্জার বায়প্সিঃ এর মাধ্যমে বোনম্যারো থেকে কিছু সেল নিয়ে পরীক্ষা করা হয়।








0 comments:
Post a Comment